ধামরাইয়ে দু’পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার হলেন, উদ্ধার হওয়া ডাকাতির মালামাল বিক্রির অভিযোগে।।  

 

ধামরাইয়ে দু’পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার হলেন, উদ্ধার হওয়া ডাকাতির মালামাল বিক্রির অভিযোগে।।  

 

নিউজ হাঁট ডেস্ক :

ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধারের পর তা বিক্রির অভিযোগে ধামরাইয়ের কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের তদন্ত কর্মকর্তা (আইসি) ও পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) সকালে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় তাদেরকে প্রত্যাহার করে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়।

প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইন-চার্জ পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) একেএম ফজলুল হক ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শামীম।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, কাওয়ালীপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের একজন উপ-পরিদর্শক ও এক সহকারী উপ-পরিদর্শককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের জায়গায় নতুন অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, চলতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বরে ধামরাই উপজেলার জালসা গ্রামের তিনটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ডাকাতের ছুরিকাঘাতে রমজান আলী নামের এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়। নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে পালায় ডাকাত সদস্যরা। পরে ধামরাই থানায় একটি হত্যা ও ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) একেএম ফজলুল হক। তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয় ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করে। এছাড়া জিরানি এলাকায় একটি গ্যারেজ থেকে তিনটি ইজিবাইক জব্দ করে। এসময় তার সঙ্গে দায়িত্বে ছিলেন এএসআই শামীম। পরে ইজিবাইক তিনটি ডাকাতি মামলার আলামত হিসেবে কাওয়ালীপাড়া ফাঁড়িতে নেন ফজলুল হক।

কয়েকদিন আগে গোপনে মামলার আলামত ইজিবাইক তিনটি মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে দেন তদন্ত কর্মকর্তা ফজলুল হক। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দায়িত্বে থাকা এএসআই শামীমসহ সংশ্লিষ্ট কাউকে না জানিয়ে আলামত বিক্রি করেন তিনি।

সাভার

২৮.১১.১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *